অসাধারণ সুন্দর পাহাড়ের মনোরম দৃশ্যকে দ্বিগুণ করে দেয় ঝর্ণা। বাংলাদেশের ঝর্ণার কথা বললেই প্রথমেই মনে আসে বান্দরবানের শৈলপ্রপাত, কক্সবাজারের হিমছড়ির ঝর্ণা, সীতাকুণ্ডের ইকোপার্কের ঝর্ণা, সিলেটের হামহাম ও মাধবকুণ্ডের ঝর্ণা। এগুলো ছাড়াও আরও অনেক ঝর্ণা আছে যা কিনা সৌন্দর্যের দিক থেকে
Author: বিভাগীয় সম্পাদক
আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের আকাশে দেদীপ্যমান নক্ষত্র। এই নক্ষত্রের আকার-আয়তন ও উজ্জ্বলতা এত বেশী যে, পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের হাজারগুণ দূরত্বে থেকেও দৃষ্টিগোচর হয়। আবার এমনও বলা যায়, তিনি নিজেই বাংলা সাহিত্যের একটি আকাশ, আর সেই আকাশে আলোকরশ্মি ছড়াচ্ছে তাঁর
আবুল আলম : : তারিখটা মনে নাই; তবে সনটা ছিল ১৯৩৭ – খুব সম্ভব ভাদ্র-আশ্বিন মাস। আমি তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র – আমাদের যোগীরকান্দা গ্রামের প্রাইমারী মক্তবে পড়ি। সে বারেই আমার সৌভাগ্য হয়েছিল, প্রথম বারের মত খুব ঘনিষ্টভাবে শের-ই-বাংলা (তখনও উনি
সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক আর নেই। ফুসফুসে ক্যান্সার আক্রান্ত দেশবরেণ্য এই কবি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। মঙ্গলবার বিকালে ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। সৈয়দ হক স্ত্রী,
সোনার বাংলাদেশ : শাপলা ফোটা বিল যেখানে হাসে যে সবুজে স্বপ্ন হাজার ভাসে যে আকাশে জ্বলে হাজার তারা পাখির গানে হৃদয়টা হয় হারা স্বপ্ন জাগায় বেশ প্রিয় সোনার দেশ। মানুষগুলো গাঁথে হৃদয় মালা সম্পদে তার ভরা মাটির থালা জন্ম দিল
মাহবুব সৈকত ঃ আব্বার শেষ দিন গুলো । । । দেখতে দেখতে কেটেগেল দুই মাস অর্থাৎ ৬০ দিন, আব্বা আমাদের চোখের আরালে। আইসিইউতে থাকা দুই দিন যোগ করলে ৬২ দিন আগেও তিনি ছিলেন। তার ৩ দিন আগে ১৬ এপ্রিলের এই
(বিশ্ব বাবা দিবসে সব বাবাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।) —মানিক লাল ঘোষ— ছোট্টকালে কোলে নিয়ে বলতে কোথায় যাবা সেই স্মৃতি পড়ছে মনে কেমন আছো বাবা? মা’র বকুনি-কান্না যখন চোখে আসতো জল বলতে তুমি আদর করে কোথায় যাবি চল?
জন্ম নাম ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে জুনিয়র ( জন্ম ১৭ জানুয়ারি ১৯৪২ মৃত্যু ৩ জুন ২০১৬) একজন মার্কিন পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধা ছিলেন, সাধারণভাবে যাকে ক্রীড়ার ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হেভিওয়েট হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। ক্রীড়াজীবনের শুরুর দিকে আলী রিংয়ের ভেতরে ও বাইরে
( শরীফ আবদুল গোফরান ) : নাম তার নজরুল। যাকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। এ কথাটি বললে তোমাদের মনে আর কোন সন্দেহ থাকে না। বোঝারও বাকি থাকে না কে সেই নজরুল। শিশুদের জন্য রচনার ক্ষেত্রে নজরুল ছিলেন শিশু মনস্তত্ত্ববিদ এবং
গ্রীষ্ম হোক কিংবা বর্ষা, শীত হোক অথবা হেমন্ত – বাড়ির সদস্য তালিকায় যদি শিশুদের উপস্থিতি থাকে তাহলে সব ঋতুতেই আবহাওয়া আর সময়ের মেজাজ বুঝে নিশ্চিত করতে হবে শিশুদের যত্ন। একথা হয়তো ঠিক যে ঋতুর পালাবদলের সাথে সাথে কমবেশি সবাইকেই কোনো
(আবুল আলম) সপ্তম শ্রেণীতে (১৯৪১) ইংরেজি সাহিত্য পড়াতেন ‘রহিম স্যার’; আসল বইটির নাম ছিল ‘Choice Readings’! না, এখানে বই নিয়ে কোন কথা নয় – সব কথা শুধু আমার অতি প্রিয় ‘রহিম স্যার’ কে নিয়ে। স্যার সাধারণ বি এ পাশ হলেও,