বিশ্বকাপের গোল অব দ্য টুর্নামেন্ট বা টুর্নামেন্টসেরা গোলের পুরস্কার নির্ধারণে ভোট দেন ফুটবলপ্রেমীরাই। কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল থেকে বাছাই করা ছয়টি গোলের মধ্য থেকে দর্শকদের ভোটে নির্বাচিত হবে সেরা গোল। তবে শুধু টুর্নামেন্টসেরা গোলই নয়, প্রতিটি পর্ব শেষে সেই পর্বের
সর্বশেষ বিজয়ী: ইংল্যান্ড ফেয়ার প্লে পুরস্কার দেওয়া হয় বিশ্বকাপে সবচেয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণ করা দলকে। ১৯৭০ সালে চালু হওয়া এই পুরস্কারের জন্য শুধু গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে ওঠা দলগুলোকেই বিবেচনা করা হয়। বর্তমান ৪৮ দলের বিশ্বকাপে শেষ ৩২-এ ওঠা
সর্বশেষ বিজয়ী: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা) ২০০৬ সালে চালু হওয়া ইয়াং প্লেয়ার পুরস্কারটি দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সেরা অনূর্ধ্ব–২১ বছর বয়সী ফুটবলারকে। ফিফার ভাষায়, এই পুরস্কার এমন একজন তরুণ খেলোয়াড়কে স্বীকৃতি দেয়, যাঁর পারফরম্যান্স, দক্ষতা ও প্রভাব টুর্নামেন্টে স্থায়ী ছাপ রেখে যান।
সর্বশেষ বিজয়ী: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা) গোল্ডেন গ্লাভস দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষককে। গোলরক্ষকের ম্যাচে প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং ক্লিন শিটের সংখ্যা বিবেচনায় এই পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়। ১৯৯৪ সালে এই পুরস্কার চালু হয়। ২০১০ সাল পর্যন্ত এটি লেভ ইয়াশিন পুরস্কার
ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, স্মরণীয় পারফরম্যান্স, গোলরক্ষকের অবদান, তরুণ ফুটবলারের উত্থান এবং মাঠে দলের শৃঙ্খলা—এসবের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় বিশ্বকাপের বিভিন্ন পুরস্কার। এর কিছু পুরস্কারের বিজয়ী ফাইনালের পর ঠিক হলেও, কয়েকটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ফাইনাল শুরুর আগেই। ফাইনালে ওঠা দুই দলের খেলোয়াড়রাই স্বাভাবিকভাবে
গোল্ডেন বল কী, কারা এগিয়ে? সর্বশেষ বিজয়ী: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) গোল্ডেন বল দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়কে। বিশ্বকাপ চলাকালেই গোল্ডেন বলের জন্য খেলোয়াড় বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ (টিএসজি) সম্ভাব্য দাবিদারদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে। এরপর
উত্তেজনা, রোমাঞ্চ ও নাটকীয়তার সব পর্ব পেরিয়ে আর মাত্র একটি ম্যাচের অপেক্ষা। এখন বাকি শুধু ফাইনাল। কে উঁচিয়ে ধরবে সোনালি ট্রফি—সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে স্পেন–আর্জেন্টিনার ফাইনাল ম্যাচেই। গোল্ডেন বুট কী, কীভাবে নির্ধারণ করা হয়? গোল্ডেন বুট দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধু গৌরবের লড়াই নয়, সঙ্গে থাকে বিপুল অঙ্কের অর্থ পুরস্কারও। এবারের বিশ্বকাপে সেই পুরস্কারের অংক ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠেয় এবারের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। ৪৮ দল নিয়ে এ আয়োজনে ৩৯
বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় দেশে প্রাণ গেছে ১০ জনের, আহত অন্তত ৪৫ জন বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে দুনিয়াজুড়ে বইছে উন্মাদনার ঝড়। ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসরে বাংলাদেশ খেলার সুযোগ না পেলেও এখানে উত্তেজনার কমতি নেই। জনপ্রিয় দলগুলোর সমর্থকরা, বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল-ভক্তরা
বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে এ দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উন্মাদনা ও ভালোবাসাকে আবারও অনন্য এক স্বীকৃতি দিল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের ছবি পোস্ট করে সংস্থাটি লিখেছে, ‘বাংলাদেশ শুধু বিশ্বকাপ দেখে না; বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে। ’২০ জুন
বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা এক অভাবনীয় ও উৎসবমুখর রূপ নেয়। যদিও বাংলাদেশ কখনো মূল বিশ্বকাপে খেলেনি, তবুও ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো জনপ্রিয় দলগুলোর প্রতি এখানকার মানুষের আবেগ ও সমর্থন বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলে। খোদ ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তাদের অফিসিয়াল