ভাল লাগা

far

( সুগন্ধী কলি )

ভাললাগে পিয়াজ মরিচ,ভাতটা পান্তা বাশি,
ষাড়ের ঘাড়ে লাঙ্গলটানা ঐ কৃষাণের হাসি ।

farmar

সবুজ ছাওয়া হাওয়ায় দোলা ফসল ভরা মাঠ,

ইষ্টিকুটুম আনাগোনা শাণ বাধানো ঘাট ।
নিবিড়ি মনে একই ধ্যানে মাছ রাঙ্গা ঐ পাখী,
কদম ডালে কুটুম পাখী উঠছে ডাকি ডাকি ।

চেয়ে আছে কৃষাণ বধু ভবিষ্যতের পানে,

baulমনটা হারায় বাউল ব্যাটা নিজের লেখা গানে ।

নদীর বুকে নৌকা চলে পালে লাগে হাওয়া,

আপন মনে ভাটিয়ালী সুরেসুরে গাওয়া ।

রাতের বেলা কৃষ্ণ আধাঁর ঐ জোনাকির আলো,

আধাঁরটা যে যায় কেটে যায় দেখতে লাগে ভাল ।

পালকি চড়ে গাঁয়ের মেয়ে বাবার বাড়ী ফেরে,

সাজের বেলা হারিকেনের আলোতে ঘর ভরে ।

footbol

লাটাই হাতে ঘুড়ি উড়ায় দুষ্টু কিশোর দল,
মন আনন্দে বৃষ্টি কাদায় খেলছেতো ফুটবল ।

তোতা পাখী খাঁচায় পোরা ঘরের আঙ্গিনায়,
মাঁচায় আছে রবিশশ্য মন জুড়িয়ে যায় ।

velege

তবলাতো নেই তানপুরা নেই আছেতো একতারা,
রেওয়াজ করে হাসনের গান মনটা দিশাহারা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

বর্ষা উৎসব-শুভ অংকুরবর্ষা উৎসব-শুভ অংকুর

মনের মধ্যে ইচ্ছে যত দিচ্ছে হামাগুড়ি মেঘের ডানায় মনকে রেখে যাচ্ছি মেঘের বাড়ি। মন কিবা কয় যা ইচ্ছে তাই গোলমেলে সব কাজ ভিজে এক সা কাপড় আমার বৃষ্টি মাথায় আজ।

মামা

কাজী নজরুল ইসলাম : : যেখানেতে দেখি যাহা মা-এর মতন আহা একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই, মায়ের মতন এত আদর সোহাগ সে তো আর কোনখানে কেহ পাইবে ভাই! হেরিলে

বৃষ্টির ছড়াবৃষ্টির ছড়া

বিষ্টি এল কাশ বনে জাগল সাড়া ঘাস বনে, বকের সারি কোথা রে লুকিয়ে গেল বাঁশ বনে৷ নদীতে নাই খেয়া যে, ডাকল দূরে দেয়া যে, কোন সে বনের আড়ালে ফুটল আবার