Children Communication Network প্রতিবেদন এসএসসিতে পাশের হার ৯৩.৫৮ জিপিএ ফাইভ ১,৮৩,৩৪০ জন

এসএসসিতে পাশের হার ৯৩.৫৮ জিপিএ ফাইভ ১,৮৩,৩৪০ জন

করোনাকালীন সময় অনুষ্ঠিত ২০২১ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফলাফল প্রকাশের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

২২ লাখ ৭৮ হাজার পরীক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এ বছর পাসের হার ৯৩.৫৮ শতাংশ যা গত ২০২০ সালের তুলনায় ১০.৭১ শতাংশ বেশি। গত বছর পাসের হার ছিল ৮২.৮৭ শতাংশ। নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে এবার পাসের হার ৯৩.৫৮। এর মধ্যে কারিগরিতে পাসের হার ৮৮.৪৯ শতাংশ ও দাখিলে পাসের হার ৯৩.২২ শতাংশ। আর নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৯৪.০৮। এবার ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। প্রতিবারের মত এবারও জিপিএ-৫ এ সবার উপরে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। পাসের হারে এবার শীর্ষে রয়েছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে সিলেট ও কুমিল্লা বোর্ড।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে নির্ধারিত সময়ের সাড়ে আট মাস পর চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হয়েছে। এবার গ্রুপভিত্তিক তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু বাংলা, ইংরেজি, গণিতের মতো মৌলিক এবং বাধ্যতামূলক বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়নি।

মোট ২৯ হাজার ৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে যা ৩ হাজার ৬৭৯টি পরীক্ষার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা ফলাফল শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ও মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে জানতে পারবে। কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল সংগ্রহ করার পরামর্শ দিয়েছে।

গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন বেড়েছে। গতবার পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন। এবারের এসএসসি পরীক্ষা হয় শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফল প্রকাশ কার্যক্রম ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণ উদ্বোধনের পর এসএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

ছোটদের ঈদ কার্ডছোটদের ঈদ কার্ড

( এম. এম. শামসুল হক সাকিব ) ঈদ আসছে আর সবার ব্যস্ততা বাড়ছে। নতুন জামা কাপড়ের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ কার্ড এখন একটি আকর্ষণীয় বস্তু। দীর্ঘ ১ মাস

পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই!পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই!

মেয়েকে বোঝাতে হবে সতর্কতা কতটা জরুরি। বুঝিয়ে দিতে হবে, মানুষ চিনতে শেখা কতটা দরকার। মানছি, মাঝে মাঝে নিজেদেরও এটা বোঝানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে সব খবরের মাঝে বাস করি আমরা, তাতে সেটা অস্বাভাবিকও নয়। বিশেষ করে যাঁরা টিনএজার মেয়েদের বাবা-মা, তাঁরা যে দুশ্চিন্তায় ভুগবেন, সেটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ আশপাশের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বাস্তব পৃথিবীই হোক বা ভার্চুয়াল জগৎ, মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে খুব সিরিয়াসলি ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে। এরকম অবস্থায় কেউই কী করে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে বলুন? কিন্তু আপনাদের তো দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়লে চলবে না। আপনাদের মেয়েও তো চারপাশের অবস্থা দেখছে, বুঝছে। ভয় কিন্তু সে-ও পাচ্ছে। আপনারাও যদি ভেঙে পড়েন, মেয়েকে কে বোঝাবে? তাকে বোঝাতে হবে সতর্কতা কতটা জরুরি। বুঝিয়ে দিতে হবে, মানুষ চিনতে শেখা কতটা দরকার। আর সবচেয়ে বড় কথা, মেয়েদের মনে এই বিশ্বাসের ভিত গড়ে দিতে হবে যে, ভাল-খারাপ সর্বত্রই থাকে। কিন্তু পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই! প্রথম কথা… যেটাকে বাবা-মা এবং যে কোন বয়সি ছেলেমেয়ের সম্পর্কের থাম্বরুল বলা যায়… তা হল, সন্তানের বন্ধু হয়ে ওঠা। এই অভ্যেসটা যদি ছোটবেলা থেকে করে ফেলতে পারেন, যদি ছোট থেকেই সন্তানের জীবনে কী ঘটছে, তা নিয়ে সে আপনার সঙ্গে গল্পগুজব করতে পারে, তাহলে টিন-এজে পৌঁছেও তার সেই অভ্যেস থেকে যাবে। কার সঙ্গে সে মিশছে, কারা তার প্রতি ‘অ্যাডমিরেশন’ দেখাচ্ছে, বা কেউ কোনওভাবে তার বিরক্তি বা অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে কি না… কোনওকিছুই আপনাদের বলতে সে দ্বিধা করবে না। সম্পর্কে এই স্বচ্ছতাটা সকলের আগে দরকার। সন্তানের বোঝা দরকার, যে আপনারা তার বন্ধু। আপনাদের কাছ থেকে কিছু লুকনোর কোনও দরকার নেই তার। বিশেষ করে, কারও কোনও ব্যবহারে যদি আপনাদের মেয়ে অস্বচ্ছন্দ বোধ করে,  আপনাদের সে কথা খোলাখুলি বলার মতো কমফর্ট যেন সে পায়। ওকে বুঝিয়ে দিন যে আপনারা সবসময়, সব অবস্থায় ওর পাশে রয়েছেন। পৃথিবীর আর পাঁচটা জিনিসের মতো সোশ্যাল মিডিয়ারও ভাল-খারাপ দু’দিকই রয়েছে। আর এর আকর্ষণ এমনই অমোঘ, যে এড়ানো যায় না। এড়াতে বলা উচিতও নয়। খালি একটু খেয়াল রাখুন, কারও সঙ্গে আপনার মেয়ের ভার্চুয়ালি বেশি বন্ধুত্ব হচ্ছে কি না। সে যতটা সময় সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটায়, তার চেয়ে বেশি সময় কাটাচ্ছে কি না। অনেক রাত পর্যন্ত ফোন বা ল্যাপটপে আটকে রয়েছে কি না। যদি মেয়ে এমনিতে আপনাদের সব বলে কিন্তু দেখেন এই ব্যাপারটা এড়িয়ে যাচ্ছে… তাহলে কিন্তু এটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে। তা বলে হেলিকপ্টারিং করবেন না। বকাবকি তো করবেন না-ই। যদি মেয়ের কোনও ব্যবহার স্বাভাবিকের চেয়ে আলাদা লাগে, তার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। গল্পে গল্পে জানতে চান, তার সঙ্গে নতুন কারও বন্ধুত্ব হয়েছে কি না। নতুন বন্ধুর সম্পর্কে কতটা জানে সে। যে তথ্যগুলো সেই বন্ধু নিজের সম্পর্কে বলছে বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দিয়েছে, সেগুলো আর-একবার খুঁটিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিন। ‘তুই কিছু বুঝিস না’ জাতীয় কথা বলবেন না মেয়েকে। বরং তাকে বোঝান, যে তার বিচারবুদ্ধির উপর আপনাদের আস্থা রয়েছে। খালি চারপাশে বিপদের ভয় এত বেশি বলেই একটু বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তা হলে দেখবেন, মেয়েও আপনাদের বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতেই আরও সতর্ক হবে। কোথায় কী ঘটছে, কোনখানে অসতর্ক হলে বিপদে পড়তে হতে পারে… ইনফরমেশন বুমের কল্যাণে এসব তথ্য পেতে এখন আর আমাদের কোনওই অসুবিধা হয় না। খেয়াল রাখুন, মেয়ে যেন এগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। টিন-এজার মানে অনেকটাই বড় হয়েছে সে। যথেষ্ট বুদ্ধিমতীও। যদি চোখ-কান খোলা রাখে, তাহলে পরিস্থিতির গুরুত্ব নিজেই বুঝবে। আর সেটা যাতে রাখে, বাবা-মা হিসেবে তা দেখা আপনাদের দায়িত্ব। প্রয়োজন পড়লে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ির সকলে আলোচনাও করতে পারেন মাঝে মাঝে। কিন্তু আলোচনার সুর কীরকম হবে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। অতিমারি এবং ইচ্ছেমতো বাইরে বেরতে না পারার কারণে পরিস্থিতি এমনিই উদ্বেগে, বিষণ্ণতায় মাখামাখি হয়ে রয়েছে। আপনাদের কথায় যেন আপনাদের সন্তান আরও বেশি ভয়ের, বিষণ্ণতার শিকার না হয়ে পড়ে। সাবধানতা আর ভয়ের মাঝখানে একটা না-সরু, না-চওড়া গণ্ডি রয়েছে।  সেটা নির্ধারণ করে দেওয়া আপনাদের দায়িত্ব। সবচেয়ে বড় কথা… সন্তানকে রুখে দাঁড়াতে শেখান। সে নিজে যদি কখনও, কোথাও, কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি পড়ে, বা অন্য কাউকে পড়তে দেখে,

ইসলাম ধর্মে যিশু ও মেরিকে কীভাবে দেখা হয়?ইসলাম ধর্মে যিশু ও মেরিকে কীভাবে দেখা হয়?

যখন বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো যিশুর জন্ম উদযাপন করে, তখন প্রশ্ন ওঠে যে মুসলমানরা ভার্জিন মেরি অর্থাৎ কুমারী মরিয়ম এবং তার পুত্র জেসাস বা যিশু বা