আসহাবিল ইয়ামিন:
জাপানের বেশির ভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা সাধারণত অবসর সময়ে বেসবল খেলে, পোকেমন কার্ড জমায় কিংবা কমিকস পড়ে সময় কাটাতে ভালোবাসে। কিন্তু জাপানের হিয়োগো প্রিফেকচারের কোবে শহরের বাসিন্দা জো নাগাইয়ের আগ্রহটা ছিল একটু ভিন্ন ও বিচিত্র। সে তার অবসর সময়ে নিজের হাতে অতি যত্ন নিয়ে এশীয় সোয়ালোটেইল প্রজাপতি লালনপালন করত। এই প্রজাপতির বৈজ্ঞানিক নাম প্যাপিলিও জুথাস (Papilio xuthus)।
এশীয় সোয়ালোটেইল প্রজাপতির ডানার কিনারায় বেশ উজ্জ্বল কিছু ফোঁটা বা বিন্দু থাকে, যা দেখে এদের সহজেই চেনা যায়। স্থানীয় গাছপালা ও ফুলগাছের পরাগায়নেও এদের বড় ভূমিকা রয়েছে।
একদিন জো খেয়াল করে, শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতিতে রূপ নেওয়ার পরও পতঙ্গগুলো যেন তাকে চিনতে পারছে। এরপর তার মনে প্রশ্ন জাগে, শুঁয়োপোকা অবস্থায় তৈরি হওয়া স্মৃতি কি প্রজাপতির মনে থাকে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে জো নিজেই কিছু পরীক্ষা করে ফেলে। পরে সে তার পরীক্ষার ফলাফল পেশাদার বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরে। জো নাগাইয়ের এই গবেষণা প্রাণীদের চিন্তাভাবনা ও আচরণ নিয়ে বিজ্ঞানীদের বহু পুরোনো ধারণাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।
