ছোটদের ঈদ কার্ড

( এম. এম. শামসুল হক সাকিব )

ঈদ আসছে আর সবার ব্যস্ততা বাড়ছে। নতুন জামা কাপড়ের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ কার্ড এখন একটি আকর্ষণীয় বস্তু। দীর্ঘ ১ মাস সিয়াম সাধনার পর প্রিয়জনকে নতুন কাপড় দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো অনেক পুরানো রীতি। অবশ্য এই রীতিটা পালন করেন পরিবারের বড়রাই। কিন্তু ঈদের আনন্দ কি শুধুমাত্র বড়দের জন্যই ?

ছোটরাও সাধ্যমত চেষ্টা করে প্রিয়জনকে শুভেচ্ছা জানাতে। আর তাই ছোটদের সাধ্যের মধ্যে ঈদকার্ড অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শুভেচ্ছা মাধ্যম।

পুরানা পল্টন আর নিউ মার্কেটে ঈদ কার্ডের দোকানগুলো ঘুরে জানা গেলো নানা খবর। এবারে দোকানগুলোতে ছোটদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। প্রডাক্টগুলোও তাই এবার ছোটদের মনের মতো করে ঈদ কার্ড তৈরি করেছে।

যারা একদমই ছোট অর্থাৎ যাদের বয়স ১০ এর নিচে তাদের পছন্দ ছোট কার্টুনময় ঈদকার্ড। আর যাদের বয়স একটু বেশি তারাতো রীতিমতো ব্যবসাই শুরু করে দিয়েছে। বড় বড় প্রোডাক্ট থেকে ঈদকার্ড কিনে এরা নিজ এলাকায় ছোট ছোট দোকান দিচ্ছে। উদ্দেশ্য আর কিছু নয়, ঈদের দিনে পকেটটা একটু ভারি থাকা।

প্রোডাক্টগুলো ঘুরে জানা গেলো বাচ্চাদের এবারের পছন্দ ডোরেমন কার্টুন ও ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘পাগলু’র ছবি সংবলিত ঈদকার্ড।

ঈদ উঁচু-নিচু, ধনী-গরীব সকলের জন্য। কিন্তু সবার আনন্দ উদযাপন এক নয়। তবে ঈদে আনন্দ সবাই কমবেশি করে থাকে। ঈদ হোক ছোট-বড়, ধনী-গরীব সকলের জন্য আনন্দদায়ক এটাই সবার প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

সাংবাদিক মাহবুব সৈকত র‌্যাক ’ এর কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিতসাংবাদিক মাহবুব সৈকত র‌্যাক ’ এর কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত

    দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিটে কাজ করা সাংবাদিকদের সংগঠন ‘রিপোর্টার্স এগেইনেস্ট করাপশন’র‌্যাক’র কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল মাইটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মাহবুব সৈকত। কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন 

উপকা‌রি হ‌তে শিখুনউপকা‌রি হ‌তে শিখুন

যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল। একটির নাম ছিল “স্যাম্পসন”। মাত্র সাত মাইল দুরে ছিল সেই জাহাজ। ওরা দেখতে পেয়েছিল টাইটানিকের বিপদ সংকেত, কিন্তু বেআইনি সীল মাছ ধরছিল

কান পেতে শোন !!কান পেতে শোন !!

ড. রউফুল আলম: গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া, আমেরিকা :: প্রায় এক বছর হতে চলল, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ায় গবেষণা করছি। ল্যাবরেটরি থেকে সাধারণত যখন বের হই তখন প্রায় ১০টা বাজে। কখনো