Children Communication Network ক্রিড়া কে জিতবেন গোল্ডেন বুট,মেসি নাকি এমবাপ্পে ?

কে জিতবেন গোল্ডেন বুট,মেসি নাকি এমবাপ্পে ?

উত্তেজনা, রোমাঞ্চ ও নাটকীয়তার সব পর্ব পেরিয়ে আর মাত্র একটি ম্যাচের অপেক্ষা। এখন বাকি শুধু ফাইনাল। কে উঁচিয়ে ধরবে সোনালি ট্রফি—সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে স্পেন–আর্জেন্টিনার ফাইনাল ম্যাচেই।

গোল্ডেন বুট কী, কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

গোল্ডেন বুট দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ৮ গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। টুর্নামেন্ট শেষে একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে, বেশি অ্যাসিস্ট করা ফুটবলারকে এগিয়ে রেখে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। এরপরও সমতা থাকলে, কম সময় মাঠে খেলে গোল ও অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়ই গোল্ডেন বুট জেতেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে কারা এগিয়ে?

এবার গোল্ডেন বুটের লড়াই জমে উঠেছে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে। ফাইনালের আগে দুজনেরই গোল ৮টি। তবে অ্যাসিস্টে এগিয়ে আছেন মেসি। তাঁর অ্যাসিস্ট ৪টি, এমবাপ্পের ৩টি। ফলে টাইব্রেকারের হিসাবে এই মুহূর্তে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে কে কোথায়

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৮ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট

কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স): ৮ গোল, ৩ অ্যাসিস্ট

আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে): ৭ গোল

জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড): ৬ গোল, ১ অ্যাসিস্ট

হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড): ৬ গোল, ১ অ্যাসিস্ট

উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স): ৫ গোল, ২ অ্যাসিস্ট

মিকেল ওইয়ারসাবাল (স্পেন): ৫ গোল, ১ অ্যাসিস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

সেরা উদীয়মান পুরস্কার জয়ের দৌড়ে কারা এগিয়েসেরা উদীয়মান পুরস্কার জয়ের দৌড়ে কারা এগিয়ে

সর্বশেষ বিজয়ী: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা) ২০০৬ সালে চালু হওয়া ইয়াং প্লেয়ার পুরস্কারটি দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সেরা অনূর্ধ্ব–২১ বছর বয়সী ফুটবলারকে। ফিফার ভাষায়, এই পুরস্কার এমন একজন তরুণ খেলোয়াড়কে স্বীকৃতি দেয়,

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসবিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাস

ফিফা বিশ্বকাপ ( FIFA World Cup) (ফুটবল বিশ্বকাপ, অথবা শুধু বিশ্বকাপ নামেও পরিচিত) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা যেখানে ফিফা অর্থাৎ “আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা”) সহযোগী দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়। ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। ১৯৩০