Children Communication Network প্রতিবেদন শিশু সংগঠক সাংবাদিক অপূর্বকে অপহরন চেস্টাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার চায় বিডিজেএ

শিশু সংগঠক সাংবাদিক অপূর্বকে অপহরন চেস্টাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার চায় বিডিজেএ

সময় টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরো প্রধান অপূর্ব অপুর ওপর হামলা অপহরণ চেষ্টার মামলায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার না হওয়া এবং ঘটনায় দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিডিজেএ) ঢাকা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিডিজেএ) ঢাকা, আয়োজিত প্রতিবাদী মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা এই প্রথম নয়। কিন্তু এর কোনো বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরো বেশি সাহস দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু এভাবে দিনের পর দিন চলতে পারে না। হামলা করে কোনো সাংবাদিকের কলম বন্ধ করা যায়নি, যাবেও না।

তারা বলেন, দিনে দুপুরে সাংবাদিক অপূর্ব অপুর ওপর হামলা হলো, তাকে অপহরণ করার চেষ্টা হয়েছে, অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়েছে কিন্তু এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আর সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। দ্রুত দায়িদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

সাংবাদিকরা বলেন, মফস্বলে সাংবাদিকরা অনেক ধরণের চাপ ও ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। যদিও সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে কাজ করতে দেয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু দিনের পর দিন সাংবাদিকের সঙ্গে এমন হামলার ঘটনা মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর খারাপ নজির স্থাপন করে। এই ঘটনা দেশের ভাবমূর্তির নষ্ট করে। তাই সরকারকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সংগঠনের সভাপতি তারিকুল ইসলাম মাসুমের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব সৈকতের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেনঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, , ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সহ-সভাপতি মানিক লাল ঘোষ, রাশেদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদ, বিডিজেএ’র সহ-সভাপতি এমএম বাদশাহ, যুগ্ম সম্পাদক সানবির রুপল, ডিইউজের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, ডিআরইউর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জামাল, ডিআরইউর সাবেক দপ্তর নয়ন মুরাদ, ডিআরইউর দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুশান্ত সাহা, মাহমুদুল হাসান, মো. আল আমিন, শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি কাজী জেবেল, সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার ফোরামের নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল আহসান পিন্নু, ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্সের সাধারণ সম্পাদক রিশান নাসরুল্লাহ, টিসিএর সভাপতি মাহবুবুল আলম, রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাউছুল আজম বিপু, ডিফেন্স জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ডিজ্যাব এর প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবলু, ডিইউজের নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য গোলাম মুজতবা ধ্রুব।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিডিজেএর সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক ফাহিম মোনায়েম, কার্যনির্বাহীর সদস্য মিজানুর রহমান প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

অবশেষে বন্ধ হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিধিনিষেধ অবাধ বিচারণেঅবশেষে বন্ধ হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিধিনিষেধ অবাধ বিচারণে

নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধের কারণ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেছেন, এখন শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটছে। এটি আগে ছিল না। এটা আমলে নিতে হয়েছে। মাঠের চিত্রের ওপর

পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই!পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই!

মেয়েকে বোঝাতে হবে সতর্কতা কতটা জরুরি। বুঝিয়ে দিতে হবে, মানুষ চিনতে শেখা কতটা দরকার। মানছি, মাঝে মাঝে নিজেদেরও এটা বোঝানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে সব খবরের মাঝে বাস করি আমরা, তাতে সেটা অস্বাভাবিকও নয়। বিশেষ করে যাঁরা টিনএজার মেয়েদের বাবা-মা, তাঁরা যে দুশ্চিন্তায় ভুগবেন, সেটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ আশপাশের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বাস্তব পৃথিবীই হোক বা ভার্চুয়াল জগৎ, মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে খুব সিরিয়াসলি ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে। এরকম অবস্থায় কেউই কী করে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে বলুন? কিন্তু আপনাদের তো দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়লে চলবে না। আপনাদের মেয়েও তো চারপাশের অবস্থা দেখছে, বুঝছে। ভয় কিন্তু সে-ও পাচ্ছে। আপনারাও যদি ভেঙে পড়েন, মেয়েকে কে বোঝাবে? তাকে বোঝাতে হবে সতর্কতা কতটা জরুরি। বুঝিয়ে দিতে হবে, মানুষ চিনতে শেখা কতটা দরকার। আর সবচেয়ে বড় কথা, মেয়েদের মনে এই বিশ্বাসের ভিত গড়ে দিতে হবে যে, ভাল-খারাপ সর্বত্রই থাকে। কিন্তু পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই! প্রথম কথা… যেটাকে বাবা-মা এবং যে কোন বয়সি ছেলেমেয়ের সম্পর্কের থাম্বরুল বলা যায়… তা হল, সন্তানের বন্ধু হয়ে ওঠা। এই অভ্যেসটা যদি ছোটবেলা থেকে করে ফেলতে পারেন, যদি ছোট থেকেই সন্তানের জীবনে কী ঘটছে, তা নিয়ে সে আপনার সঙ্গে গল্পগুজব করতে পারে, তাহলে টিন-এজে পৌঁছেও তার সেই অভ্যেস থেকে যাবে। কার সঙ্গে সে মিশছে, কারা তার প্রতি ‘অ্যাডমিরেশন’ দেখাচ্ছে, বা কেউ কোনওভাবে তার বিরক্তি বা অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে কি না… কোনওকিছুই আপনাদের বলতে সে দ্বিধা করবে না। সম্পর্কে এই স্বচ্ছতাটা সকলের আগে দরকার। সন্তানের বোঝা দরকার, যে আপনারা তার বন্ধু। আপনাদের কাছ থেকে কিছু লুকনোর কোনও দরকার নেই তার। বিশেষ করে, কারও কোনও ব্যবহারে যদি আপনাদের মেয়ে অস্বচ্ছন্দ বোধ করে,  আপনাদের সে কথা খোলাখুলি বলার মতো কমফর্ট যেন সে পায়। ওকে বুঝিয়ে দিন যে আপনারা সবসময়, সব অবস্থায় ওর পাশে রয়েছেন। পৃথিবীর আর পাঁচটা জিনিসের মতো সোশ্যাল মিডিয়ারও ভাল-খারাপ দু’দিকই রয়েছে। আর এর আকর্ষণ এমনই অমোঘ, যে এড়ানো যায় না। এড়াতে বলা উচিতও নয়। খালি একটু খেয়াল রাখুন, কারও সঙ্গে আপনার মেয়ের ভার্চুয়ালি বেশি বন্ধুত্ব হচ্ছে কি না। সে যতটা সময় সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটায়, তার চেয়ে বেশি সময় কাটাচ্ছে কি না। অনেক রাত পর্যন্ত ফোন বা ল্যাপটপে আটকে রয়েছে কি না। যদি মেয়ে এমনিতে আপনাদের সব বলে কিন্তু দেখেন এই ব্যাপারটা এড়িয়ে যাচ্ছে… তাহলে কিন্তু এটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে। তা বলে হেলিকপ্টারিং করবেন না। বকাবকি তো করবেন না-ই। যদি মেয়ের কোনও ব্যবহার স্বাভাবিকের চেয়ে আলাদা লাগে, তার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। গল্পে গল্পে জানতে চান, তার সঙ্গে নতুন কারও বন্ধুত্ব হয়েছে কি না। নতুন বন্ধুর সম্পর্কে কতটা জানে সে। যে তথ্যগুলো সেই বন্ধু নিজের সম্পর্কে বলছে বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দিয়েছে, সেগুলো আর-একবার খুঁটিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিন। ‘তুই কিছু বুঝিস না’ জাতীয় কথা বলবেন না মেয়েকে। বরং তাকে বোঝান, যে তার বিচারবুদ্ধির উপর আপনাদের আস্থা রয়েছে। খালি চারপাশে বিপদের ভয় এত বেশি বলেই একটু বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তা হলে দেখবেন, মেয়েও আপনাদের বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতেই আরও সতর্ক হবে। কোথায় কী ঘটছে, কোনখানে অসতর্ক হলে বিপদে পড়তে হতে পারে… ইনফরমেশন বুমের কল্যাণে এসব তথ্য পেতে এখন আর আমাদের কোনওই অসুবিধা হয় না। খেয়াল রাখুন, মেয়ে যেন এগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। টিন-এজার মানে অনেকটাই বড় হয়েছে সে। যথেষ্ট বুদ্ধিমতীও। যদি চোখ-কান খোলা রাখে, তাহলে পরিস্থিতির গুরুত্ব নিজেই বুঝবে। আর সেটা যাতে রাখে, বাবা-মা হিসেবে তা দেখা আপনাদের দায়িত্ব। প্রয়োজন পড়লে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ির সকলে আলোচনাও করতে পারেন মাঝে মাঝে। কিন্তু আলোচনার সুর কীরকম হবে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। অতিমারি এবং ইচ্ছেমতো বাইরে বেরতে না পারার কারণে পরিস্থিতি এমনিই উদ্বেগে, বিষণ্ণতায় মাখামাখি হয়ে রয়েছে। আপনাদের কথায় যেন আপনাদের সন্তান আরও বেশি ভয়ের, বিষণ্ণতার শিকার না হয়ে পড়ে। সাবধানতা আর ভয়ের মাঝখানে একটা না-সরু, না-চওড়া গণ্ডি রয়েছে।  সেটা নির্ধারণ করে দেওয়া আপনাদের দায়িত্ব। সবচেয়ে বড় কথা… সন্তানকে রুখে দাঁড়াতে শেখান। সে নিজে যদি কখনও, কোথাও, কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি পড়ে, বা অন্য কাউকে পড়তে দেখে,

যে কারণে আপনার সন্তানকে অভাব কী, তা বোঝাবেনযে কারণে আপনার সন্তানকে অভাব কী, তা বোঝাবেন

সন্তানকে সঞ্চয়ী বানাতে চাইলে আগে নিজে সঞ্চয়ী হোন। কেননা, শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। আপনি যদি বেহিসেবী হন আর সন্তানের সামনে যদি সঞ্চয় কেন জরুরি, কীভাবে করতে হবে, সে বুলি আওড়াতেই থাকেন, তাতে