Children Communication Network ক্রিড়া গোল্ডেন গ্লাভস নিতে কারা এগিয়ে?

গোল্ডেন গ্লাভস নিতে কারা এগিয়ে?

সর্বশেষ বিজয়ী: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা)

গোল্ডেন গ্লাভস দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষককে। গোলরক্ষকের ম্যাচে প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং ক্লিন শিটের সংখ্যা বিবেচনায় এই পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়। ১৯৯৪ সালে এই পুরস্কার চালু হয়। ২০১০ সাল পর্যন্ত এটি লেভ ইয়াশিন পুরস্কার নামে পরিচিত ছিল। সর্বশেষ পাঁচ বিশ্বকাপের চারটিতেই এই পুরস্কার জিতেছেন শিরোপাজয়ী দলের গোলরক্ষক।

এবারের বিশ্বকাপে গোলরক্ষকদের পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে আলোচিত। সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। এমনকি তাঁকে দলে ভেড়ানোর বিষয়েও আগ্রহ দেখাচ্ছে মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামি। তবে তাঁর দল শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ায় ভোজিনিয়ার শেষ পর্যন্ত পুরস্কার পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এ ছাড়া গোল্ডেন গ্লাভসের সম্ভাব্য দাবিদারদের মধ্যে সবার ওপরে রয়েছেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন তিনি। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে আছেন ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ড, প্যারাগুয়ের অরলান্ডো গিল, পর্তুগালের দিওগো কস্তা, সুইজারল্যান্ডের গ্রেগর কোবেল, মরক্কোর ইয়াসিন বুনু এবং মিসরের মোস্তফা শোবেইর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

একই দিনে সাকিব-তামিমের দারুণ রেকর্ডএকই দিনে সাকিব-তামিমের দারুণ রেকর্ড

ঘরের মাঠে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে পরপর দুই ম্যাচে দারুণ দুটি ইনিংস খেলেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হার না মানা ৮৪ রান করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও একই সংগ্রহ গড়েছেন।

বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ১০ মহানায়কবিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ১০ মহানায়ক

বিবিসির চোখে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ১০ মহানায়ক কারা ফুটবল বিশ্বকাপের প্রায় এক শতাব্দীর ইতিহাস, ২২টি আসর আর হাজার হাজার খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে মাত্র ১০ জন কিংবদন্তিকে বেছে নেওয়া যেকোনো ফুটবল

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসবিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাস

ফিফা বিশ্বকাপ ( FIFA World Cup) (ফুটবল বিশ্বকাপ, অথবা শুধু বিশ্বকাপ নামেও পরিচিত) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা যেখানে ফিফা অর্থাৎ “আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা”) সহযোগী দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়। ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। ১৯৩০