গোল্ডেন গ্লাভস দেওয়া হয় বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষককে। গোলরক্ষকের ম্যাচে প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং ক্লিন শিটের সংখ্যা বিবেচনায় এই পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়। ১৯৯৪ সালে এই পুরস্কার চালু হয়। ২০১০ সাল পর্যন্ত এটি লেভ ইয়াশিন পুরস্কার নামে পরিচিত ছিল। সর্বশেষ পাঁচ বিশ্বকাপের চারটিতেই এই পুরস্কার জিতেছেন শিরোপাজয়ী দলের গোলরক্ষক।
এবারের বিশ্বকাপে গোলরক্ষকদের পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে আলোচিত। সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। এমনকি তাঁকে দলে ভেড়ানোর বিষয়েও আগ্রহ দেখাচ্ছে মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামি। তবে তাঁর দল শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ায় ভোজিনিয়ার শেষ পর্যন্ত পুরস্কার পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এ ছাড়া গোল্ডেন গ্লাভসের সম্ভাব্য দাবিদারদের মধ্যে সবার ওপরে রয়েছেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন তিনি। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে আছেন ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ড, প্যারাগুয়ের অরলান্ডো গিল, পর্তুগালের দিওগো কস্তা, সুইজারল্যান্ডের গ্রেগর কোবেল, মরক্কোর ইয়াসিন বুনু এবং মিসরের মোস্তফা শোবেইর।