Children Communication Network জানা-অজানা,প্রতিবেদন বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরি

আইকন অব দ্য সিজ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জাহাজ ছিল টাইটানিক। বিপুল উৎসাহ-কৌতূহল নিয়ে সেই জাহাজে চড়েছিল মানুষ। প্রথম যাত্রাতেই আটলান্টিকে ডুবে গেছে সেই ঐতিহাসিক জাহাজ। কত শোকগাথা, গল্পগাথা সেই জাহাজকে ঘিরে। দিন গেছে, তারপর টাইটানিকের চেয়ে আরও বড় জাহাজ এসেছে। কিন্তু টাইটানিকের মতো বিশ্ববাসীর মনে আর কোনোটিই সেভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি। এবার সাগরে আসছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরি, যা টাইটানিকের চেয়ে দেড় গুণ বড়। মালিকপক্ষের দাবি মানলে এই প্রমোদতরি নিয়েও মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। আগামী জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সাগরে নামলেও এখনই রেকর্ডসংখ্যক টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।

ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ডে এই প্রমোদতরি তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো সাগরেও চালানো হয়েছে। আগামী অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে মালিকানা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রমোদতরিটি হস্তান্তর করা হতে পারে।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের মালিকানাধীন ‘আইকন অব দ্য সিজ’ নামের এই প্রমোদতরির দৈর্ঘ্য ৩৬৫ মিটার বা প্রায় ১ হাজার ২০০ ফুট। আনুমানিক ওজন ২ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ টন। ওজন ধারণের ক্ষমতা বোঝাতে বলা যায়, প্রমোদতরিটি দুটি সিএন টাওয়ারকে ভাসিয়ে রাখতে পারবে। কানাডার টরন্টোয় অবস্থিত সিএন টাওয়ারের উচ্চতা প্রায় ৫৫৩ মিটার বা ১ হাজার ৮১৫ ফুট।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ক্যারিবীয় সাগরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে প্রমোদতরিটি। বিশাল এই প্রমোদতরিতে প্রায় ৫ হাজার ৬১০ যাত্রী ও ২ হাজার ৩৫০ ক্রু থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে। এতে থাকছে একটি ‘ওয়াটার পার্ক’। এটিই হতে যাচ্ছে সমুদ্রে ভাসমান বিশ্বের বৃহত্তম ‘ওয়াটার পার্ক’। এর নাম রাখা হয়েছে ‘ক্যাটাগরি সিক্স’। এই পার্কে রেকর্ডসংখ্যক ছয়টি ‘ওয়াটার স্লাইড’ যুক্ত থাকবে। তবে যেসব অতিথি অবকাশে আরও বেশি রোমাঞ্চ উপভোগ করতে চাইবেন, তাঁদের জন্য প্রমোদতরিতে থাকছে সাতটি পুল ও নয়টি ঘূর্ণিজলের ব্যবস্থা।

আইকন অব দ্য সিজ

অভূতপূর্ব

ফিনল্যান্ডের ‘মায়ার তুর্কু’ নামক শিপইয়ার্ডে এই প্রমোদতরি নির্মাণ করা হয়েছে। তুর্কু শহরে অবস্থিত এই শিপইয়ার্ড ইউরোপের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশ সুপরিচিত। প্রমোদতরির মালিকানা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামিতে। চলতি বছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী মাইকেল বেইলি ঘোষণা দিয়েছিলেন, এযাবৎ বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির অভিষেক হবে ২০২৪ সালে। এর আগেই আগামী ২৬ অক্টোবর প্রমোদতরিটি রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের বহরে যোগ হবে।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাবের মালিক ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’। এটিরও মালিক রয়্যাল ক্যারিবিয়ান। এই প্রমোদতরি গত বছরই উদ্বোধনী যাত্রা করে। এটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৮৮ ফুট। অর্থাৎ আইকন অব দ্য সিজের চেয়ে এটি কিছুটা ছোট। ওয়ান্ডার অব দ্য সিজে ডেক রয়েছে ১৮টি।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের ভাষ্য, আইকন অব দ্য সিজে বিশ্বের সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ৫০ বছরের ইতিহাসের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এই প্রমোদতরি নির্মাণ করছে তারা।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট মাইকেল বেইলি গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, তাঁরা এই প্রমোদতরিকে পারিবারিক অবকাশের দারুণ একটি জায়গা হিসেবে তৈরি করছেন। এটি তৈরিতে যে কর্মশক্তি ও সময় ব্যয় হয়েছে, তাকে এককথায় অভূতপূর্ব বলা যায়।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ানের বিবৃতি থেকে জানা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে সমুদ্রযাত্রা শুরুর আগে গত ২২ জুন আইকন অব দ্য সিজকে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে। প্রথম পরীক্ষায় আইকন অব দ্য সিজ কয়েক শ মাইল পথ পরিভ্রমণ করেছে। এ সময় প্রমোদতরির প্রধান ইঞ্জিন, হাল, ব্রেক–ব্যবস্থা, স্টিয়ারিং, শব্দ, কম্পনের মাত্রাসহ সবকিছুই পরীক্ষা করা হয়।

যেন পূর্ণাঙ্গ বাড়ি

প্রমোদতরিতে খাবারদাবার, পান ও বিনোদনের ৪০টির বেশি উপায়-উপকরণ থাকছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এর মধ্যে অনেক সুযোগ-সুবিধাই যাত্রীদের ভাড়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ২০টি ডেক ও ৮টি সন্নিহিত এলাকা থাকছে। অবকাশযাপনকারীদের প্রতিটি চাওয়া পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। এখানে নতুন জুটিদের জন্য যেমন বিশেষ স্থান থাকবে, তেমনি শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য থাকবে আলাদা জায়গা।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ান জানাচ্ছে, প্রমোদতরিতে ২৮ শ্রেণির থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবারগুলোর কথা মাথায় রেখে নানা শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। সমুদ্রের দৃশ্য ভালোভাবে উপভোগ করতে বিশেষ নকশায় প্রমোদতরি নির্মাণ করা হয়েছে। যাঁরা দল বেঁধে ভ্রমণ করেন, তাঁদের জন্য বড় পরিসরে জায়গা রাখা হয়েছে। একটি নিখুঁত বাড়ির নকশা তৈরির জন্য বিপুল সময় ব্যয় করা হয়েছে।

‘আইকন অব দ্য সিজ’ রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের প্রথম প্রমোদতরি, যা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও ফুয়েল সেল প্রযুক্তিতে চলবে। প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। এরই অংশ হিসেবে প্রমোদতরিতে এই প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে।

প্রতিদিন কাজ করছেন ২ হাজার ৬০০ কর্মী

প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৬০০ কর্মী ‘আইকন অব দ্য সিজ’ তৈরির কাজ করে চলেছেন। সমুদ্রে পরীক্ষার সময় শত শত বিশেষজ্ঞ প্রমোদতরিতে ছিলেন। তাঁরা চার দিন ধরে এর কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করেন।

রয়্যাল ক্যারিবিয়ান বলছে, সমুদ্রে নামিয়ে প্রমোদতরির দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা করা হবে। বছরের শেষ দিকে এই পরীক্ষা চালানো হতে পারে।

রেকর্ড বিক্রি

গুঞ্জন রয়েছে, ইতিমধ্যে প্রমোদতরিতে ভ্রমণের রেকর্ডসংখ্যক অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের ত্রৈমাসিক আর্থিক বিবরণী প্রকাশের সময় প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট মাইকেল বেইলি আইকন অব দ্য সিজকে আক্ষরিক অর্থেই তাঁদের এখন পর্যন্ত সেরা নতুন পণ্য বলে দাবি করেন।

‘আইকন অব দ্য সিজ’ বছরজুড়ে চলবে। প্রমোদতরি প্রতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি থেকে সাত রাতের জন্য পূর্ব ও পশ্চিম ক্যারিবীয় অঞ্চলে চলাচল করবে। এই যাত্রায় অবকাশযাপনকারীরা হাইডঅ্যাওয়ে সৈকতসহ বেশ কয়েকটি দ্বীপ পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

ইউনাইটেডে সুন্নতে খাতনা : মৃত্যুর প্রহর গুনছে ছোট্ট শিশু আয়ান : ৫ দিনেও ফেরেনি জ্ঞানইউনাইটেডে সুন্নতে খাতনা : মৃত্যুর প্রহর গুনছে ছোট্ট শিশু আয়ান : ৫ দিনেও ফেরেনি জ্ঞান

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনার সময় ‘ভুল অ্যানেসথেসিয়া’ দেওয়ায় মৃত্যুর মুখে পড়েছে ৫ বছরের শিশু আয়ান। ৫ দিনেও  জ্ঞান ফেরেনি তার। হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাকে  পিসিইউতে লাইভ সাপোর্টে রাখলেও তার অবস্থা

পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই!পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই!

মেয়েকে বোঝাতে হবে সতর্কতা কতটা জরুরি। বুঝিয়ে দিতে হবে, মানুষ চিনতে শেখা কতটা দরকার। মানছি, মাঝে মাঝে নিজেদেরও এটা বোঝানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে সব খবরের মাঝে বাস করি আমরা, তাতে সেটা অস্বাভাবিকও নয়। বিশেষ করে যাঁরা টিনএজার মেয়েদের বাবা-মা, তাঁরা যে দুশ্চিন্তায় ভুগবেন, সেটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ আশপাশের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বাস্তব পৃথিবীই হোক বা ভার্চুয়াল জগৎ, মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে খুব সিরিয়াসলি ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে। এরকম অবস্থায় কেউই কী করে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে বলুন? কিন্তু আপনাদের তো দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়লে চলবে না। আপনাদের মেয়েও তো চারপাশের অবস্থা দেখছে, বুঝছে। ভয় কিন্তু সে-ও পাচ্ছে। আপনারাও যদি ভেঙে পড়েন, মেয়েকে কে বোঝাবে? তাকে বোঝাতে হবে সতর্কতা কতটা জরুরি। বুঝিয়ে দিতে হবে, মানুষ চিনতে শেখা কতটা দরকার। আর সবচেয়ে বড় কথা, মেয়েদের মনে এই বিশ্বাসের ভিত গড়ে দিতে হবে যে, ভাল-খারাপ সর্বত্রই থাকে। কিন্তু পৃথিবীটা আসলে ভাল জায়গাই! প্রথম কথা… যেটাকে বাবা-মা এবং যে কোন বয়সি ছেলেমেয়ের সম্পর্কের থাম্বরুল বলা যায়… তা হল, সন্তানের বন্ধু হয়ে ওঠা। এই অভ্যেসটা যদি ছোটবেলা থেকে করে ফেলতে পারেন, যদি ছোট থেকেই সন্তানের জীবনে কী ঘটছে, তা নিয়ে সে আপনার সঙ্গে গল্পগুজব করতে পারে, তাহলে টিন-এজে পৌঁছেও তার সেই অভ্যেস থেকে যাবে। কার সঙ্গে সে মিশছে, কারা তার প্রতি ‘অ্যাডমিরেশন’ দেখাচ্ছে, বা কেউ কোনওভাবে তার বিরক্তি বা অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে কি না… কোনওকিছুই আপনাদের বলতে সে দ্বিধা করবে না। সম্পর্কে এই স্বচ্ছতাটা সকলের আগে দরকার। সন্তানের বোঝা দরকার, যে আপনারা তার বন্ধু। আপনাদের কাছ থেকে কিছু লুকনোর কোনও দরকার নেই তার। বিশেষ করে, কারও কোনও ব্যবহারে যদি আপনাদের মেয়ে অস্বচ্ছন্দ বোধ করে,  আপনাদের সে কথা খোলাখুলি বলার মতো কমফর্ট যেন সে পায়। ওকে বুঝিয়ে দিন যে আপনারা সবসময়, সব অবস্থায় ওর পাশে রয়েছেন। পৃথিবীর আর পাঁচটা জিনিসের মতো সোশ্যাল মিডিয়ারও ভাল-খারাপ দু’দিকই রয়েছে। আর এর আকর্ষণ এমনই অমোঘ, যে এড়ানো যায় না। এড়াতে বলা উচিতও নয়। খালি একটু খেয়াল রাখুন, কারও সঙ্গে আপনার মেয়ের ভার্চুয়ালি বেশি বন্ধুত্ব হচ্ছে কি না। সে যতটা সময় সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটায়, তার চেয়ে বেশি সময় কাটাচ্ছে কি না। অনেক রাত পর্যন্ত ফোন বা ল্যাপটপে আটকে রয়েছে কি না। যদি মেয়ে এমনিতে আপনাদের সব বলে কিন্তু দেখেন এই ব্যাপারটা এড়িয়ে যাচ্ছে… তাহলে কিন্তু এটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে। তা বলে হেলিকপ্টারিং করবেন না। বকাবকি তো করবেন না-ই। যদি মেয়ের কোনও ব্যবহার স্বাভাবিকের চেয়ে আলাদা লাগে, তার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। গল্পে গল্পে জানতে চান, তার সঙ্গে নতুন কারও বন্ধুত্ব হয়েছে কি না। নতুন বন্ধুর সম্পর্কে কতটা জানে সে। যে তথ্যগুলো সেই বন্ধু নিজের সম্পর্কে বলছে বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দিয়েছে, সেগুলো আর-একবার খুঁটিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিন। ‘তুই কিছু বুঝিস না’ জাতীয় কথা বলবেন না মেয়েকে। বরং তাকে বোঝান, যে তার বিচারবুদ্ধির উপর আপনাদের আস্থা রয়েছে। খালি চারপাশে বিপদের ভয় এত বেশি বলেই একটু বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তা হলে দেখবেন, মেয়েও আপনাদের বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতেই আরও সতর্ক হবে। কোথায় কী ঘটছে, কোনখানে অসতর্ক হলে বিপদে পড়তে হতে পারে… ইনফরমেশন বুমের কল্যাণে এসব তথ্য পেতে এখন আর আমাদের কোনওই অসুবিধা হয় না। খেয়াল রাখুন, মেয়ে যেন এগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। টিন-এজার মানে অনেকটাই বড় হয়েছে সে। যথেষ্ট বুদ্ধিমতীও। যদি চোখ-কান খোলা রাখে, তাহলে পরিস্থিতির গুরুত্ব নিজেই বুঝবে। আর সেটা যাতে রাখে, বাবা-মা হিসেবে তা দেখা আপনাদের দায়িত্ব। প্রয়োজন পড়লে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ির সকলে আলোচনাও করতে পারেন মাঝে মাঝে। কিন্তু আলোচনার সুর কীরকম হবে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। অতিমারি এবং ইচ্ছেমতো বাইরে বেরতে না পারার কারণে পরিস্থিতি এমনিই উদ্বেগে, বিষণ্ণতায় মাখামাখি হয়ে রয়েছে। আপনাদের কথায় যেন আপনাদের সন্তান আরও বেশি ভয়ের, বিষণ্ণতার শিকার না হয়ে পড়ে। সাবধানতা আর ভয়ের মাঝখানে একটা না-সরু, না-চওড়া গণ্ডি রয়েছে।  সেটা নির্ধারণ করে দেওয়া আপনাদের দায়িত্ব। সবচেয়ে বড় কথা… সন্তানকে রুখে দাঁড়াতে শেখান। সে নিজে যদি কখনও, কোথাও, কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি পড়ে, বা অন্য কাউকে পড়তে দেখে,

হন্ডুরাসের মাছ বৃষ্টিহন্ডুরাসের মাছ বৃষ্টি

আমাদের এই মহাবিশ্বে কত কিছুই না ঘটে থাকে, যা সত্যিই বিরল এবং বিস্ময়কর। এর মধ্যেও এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা গোটা বিশ্ববাসীকে মুহুর্তেই অবাক করে দেয় । এ রকম অবিশ্বাস্য